
বগুড়ার ধুনট-সোনাহাটা জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি পাকা রাস্তা অবৈধভাবে দখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এছাড়া ভবন বর্ধিতকরণ কাজের জন্য ওই রাস্তার জীবন্ত গাছের গোড়ালীতে প্লাস্টার করায় ২টি গাছের ক্ষতি হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে সরেজমিন গিয়ে এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধুনট-সোনাহাটা সরকারি পাকা রাস্তার সোনাহাটা বাজার সংলগ্ন রাস্তার পশ্চিম পাশের ফুটপাত দখলে নিয়ে সোনাহাটা গ্রামের ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান বহুতল ভবন নির্মান করেছেন। ওই রাস্তার পাশ দিয়ে দীর্ঘদিন আগে সরকারি ভাবে কাঠ গাছ রোপন করা হয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে এখন অনেক মুল্যবান হয়েছে। ওই ব্যবসায়ী বহুতল ভবন বর্ধিত করার জন্য জীবন্ত ২টি গাছের গোড়ালী প্লাস্টার এবং উপরের অংশ বেলকনির ভেতর আবদ্ধ করে ফেলেছে। এতে করে সরকারি রাস্তাটি সংকুচিত হয়ে দূর্ঘটনায় আশংকা করা হচ্ছে। এছাড়া ২টি গাছ মরার উপক্রম হয়ে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, জনগুরুত্বপূর্ণ এই পাকা সড়কে বহুতল ভবন নির্মান করায় রাস্তটি সংকুচিত হওয়ায় দূর্ঘটনার ঝুকি নিয়ে পরিবহন চলাচলা করছে। এছাড়া গাছের গোড়ায় কংক্রিটের বেষ্টনী তৈরী করা গাছের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকর, যা গাছের শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ করে শেকড়ে পচন ধরে ২টি গাছ মরার উপক্রম হয়েছে। এতে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে বার বার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার মিলছে না।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান বলেন, আমার জমির ভেতর দিয়ে সরকারিভাবে পাকা রাস্তা করা হয়েছে। এ কারণে আমার জায়গায় আমি বহুতল ভবন নির্মান করেছি। আর গাছগুলো আগেই আগুনে পুড়ে মারা গেছে। তবে এই ভবন নির্মানের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতিলতা বর্মন বলেন, এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


